undefined
undefined
Update : Wednesday 7th May 2025, 10:56 am
Online Edition
No caption
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হামলা চালিয়ে প্রধান বিমানবন্দর ‘সম্পূর্ণ অকেজো’ করে দেওয়ার দাবি করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। গতকাল মঙ্গলবারের এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল তিনটি বেসামরিক উড়োজাহাজ, বহির্গমন হল, রানওয়ে ও সামরিক ঘাঁটি।
ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি জানিয়েছে, হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে। হামলার পাল্টা জবাব দেওয়ারও অঙ্গীকার করেছে গোষ্ঠীটি। হুতিরা ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দরের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দুই দিন পর ইয়েমেনে এ হামলা হলো।
গত জানুয়ারিতে ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে দফায় দফায় বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বিভিন্ন বন্দর লক্ষ্য করে এসব হমালা চালানো হয়।
মঙ্গলবারের হামলায় সানার বিমানবন্দরের ফ্লাইট রানওয়ে এবং বিমানবন্দরের অবকাঠামোর ওপর হামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী– আইডিএফ। হুতিরা অস্ত্র স্থানান্তর ও অন্যান্য তৎপরতা চালানোর জন্য এই বিমানবন্দরকে ব্যবহার করছে বলে দাবি আইডিএফের।
আইডিএফ আরও জানিয়েছে, বিমানবন্দর ছাড়াও সানার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে, যেগুলো হুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ সরবরাহ অবকাঠামো। এ ছাড়া শহরের উত্তরে অবস্থিত আল-ইমরান সিমেন্ট কারখানাতে হামলার কথা জানিয়েছে তারা। এর আগে সোমবার ইয়েমেনের বন্দরনগরী হুদায়দাহতে হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে কয়েকজন নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে হুতি। এই হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে একসঙ্গে দায়ী করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।
এর আগে গত রোববার হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের তেল আবিবের কাছে বেন গুরিওন বিমানবন্দরের মূল টার্মিনালের পাশে এক রাস্তার কাছে বিস্ফোরিত হয়। ইসরায়েলি জরুরি পরিষেবা জানায়, হামলায় ছয়জন আহত হয়। এই হামলার পর হুতি জানায়, তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘সম্পূর্ণ আকাশ অবরোধ’ আরোপ করবে এবং ইসরায়েল যদি গাজায় সামরিক অভিযান বাড়ায়, তবে দেশটির বিমানবন্দরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।